বাংলাদেশ পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি l নতুন পুলিশ নিয়োগ ধাপ সমূহ

0
8

পুলিশে চাকরির জন্য ঘুষ একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। এক্ষেত্রে ঘুষের পরিমাণটাও কম না। পুলিশ নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন নালিশ বহু দিনের। এবার যেন এমন সব নালিশ না আসে সেজন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন পুলিশের আইজিপি (ড. বেনজীর আহমেদ)। নতুন পুলিশ নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রার্থীকে সাতটি ধাপ পার করতে হবে।

ধাপগুলো হলোঃ প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং (Preliminary screening), শারীরিক মাপ ও ফিজিক্যাল অ্যান্ডুরেন্স টেস্ট (Physical Size and Physical Endurance Test), ৪৫ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা (Written test number 45), ১৫ নম্বরের মনস্তাত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা (Psychological and oral examination number 15), প্রাথমিক নির্বাচন (Preliminary selection), পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Police verification and health examination),

এবং চূড়ান্তভাবে প্রশিক্ষণে অন্তর্ভূক্তকরণ (Ultimately inclusion in training). উপরোক্ত সাতটি ধাপের মধ্য একটি ধাপ শারীরিক সক্ষমতা, যেখানে টিকার জন্য নতুন পুলিশ নিয়োগ প্রার্থীকে পর পর কিছু ইভেন্টে যোগদান করতে হবে। সেগুলো হলোঃ দৌড়, লং-জাম্প, হাই-জাম্প, পুশ আপ, রক ক্লাইম্বিং, ড্র্যাগিং ইত্যাদি।

এগুলোর একটিতে বিফল হলে তাকে সামনের ধাপগুলোতে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। দৌড়ঃ ( ২০০ মিটার এর দূরত্ব পুরুষদের ক্ষেত্রে অতিক্রম করতে হবে ২৮ সেকেন্ডে এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৩৪ সেকেন্ডে। ) লং-জাম্পঃ (পুরুষদের ক্ষেত্রে ১০ ফুট এবং নারীদের ক্ষেত্রে অতিক্রম করতে হবে ৬ ফুট দূরত্ব। ) হাই-জাম্পঃ ( পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩.৫ ফুট উচ্চতা এবং নারীদের ক্ষেত্রে ২.৫ ফুট উচ্চতা অতিক্রম করতে হবে। )

আরো পড়ুন বাংলা জীবন বৃত্তান্ত ফরম ডাউনলোড । জীবন বৃত্তান্ত নমুনা

পুশআপঃ (পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩৫ সেকেন্ডে ১৫ টি পুশআপ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৩০ সেকেন্ডে ১০ টি পুশআপ দিতে হবে। ) আর তাই শারীরিক সক্ষমতার ইভেন্ট গুলো সহ উপরোক্ত সাতটি ধাপের মধ্য কোনো একটিতেও প্রার্থী অযোগ্য বলে প্রমাণিত হলে তাকে আর পুলিশে নিয়োগ দেওয়া হবে না। মূলত পুলিশ নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ ঠেকাতেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন পুলিশের আইজিপি।

পুলিশ কনস্টবেল নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো প্রতারক চক্র দ্বারা যেন কোনো চাকুরী প্রার্থী প্রতারিত না হয় বা চাকুরী প্রার্থীর নিকট থেকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য জেলা পুলিশ কতৃক কঠোর পর্যবেক্ষনের ব্যবস্থা করা হবে। কঠোর পর্যবেক্ষনের ক্ষেত্রে জেলা পুলিশের একাধিক দল বা গোষ্ঠী নিযুক্ত থাকবে। এক্ষেত্রে প্রতারণার জড়িত সাথে কোনো প্রতারক চক্ররে বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লেখাটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করতে পারেন>>>>

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here